ডমিঙ্গোর হাতে শেষ পর্যন্ত উঠেছে টাইগারদের দায়িত্ব। তার কর্ম পরিকল্পনার মধ্যে বিশেষভাবে জানিয়েছেন, বয়সভিত্তিক ও হাইপারফরমেন্স দল নিয়ে কাজ করার কথা।
দক্ষিণ আফ্রিকার বাইরে কখনও কাজ না করলেও বয়সভিত্তিক নিয়ে তার কাজ করার অভিজ্ঞতা কম নয়। নিজের অভিজ্ঞতা থেকেই বলেন, ‘নতুন খেলোয়াড়েরা কোথা থেকে উঠে আসছে, সে ব্যাপারে আমি একটু ভূমিকা রাখার সুযোগ পেলে তা এগিয়ে যেতে গুরুত্বপূর্ণ হবে বলে মনে করি। বাংলাদেশে কিছু অসাধারণ খেলোয়াড় আছে, তবে তরুণদের তুলে এনে সিনিয়রদের ওপর কিছুটা চাপ সৃষ্টি করা দলের জন্যই ভালো। তাদের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলার সুযোগও দিতে হবে। কারণ, শেষ পর্যন্ত দলে তাদেরই প্রয়োজন। ’
‘আমি মনে করি, পরবর্তী সেরা খেলোয়াড়টি কে, তা জানতে হাই পারফরম্যান্স কোচ ও ম্যানেজারের সঙ্গে কাজ করাটা সত্যিই গুরুত্বপূর্ণ। অনূর্ধ্ব-১৯ দল ইংল্যান্ডকে চারবার হারিয়েছে এবং ভারতের সঙ্গে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই করেছে। অর্থাৎ নিচের পর্যায়ে অবশ্যই কিছু প্রতিভাবান খেলোয়াড় আছে, যাদের জাতীয় দলের কাছাকাছি রাখা প্রয়োজন। খেলোয়াড়দের ভিত্তিটা আরও সম্প্রসারণ করা দরকার, তাদের উন্নতিও করাতে হবে যেন আগামী পাঁচ-ছয় বছরে বাংলাদেশ ক্রিকেটকে এগিয়ে নিতে পারে। ’
৫ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রামে আফগানদের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টে মাঠে নামবে বাংলাদেশ। যা হবে ডমিঙ্গোর প্রথম পরীক্ষা। বাংলাদেশ দল নিয়ে নিজের আগ্রহের কথা জানিয়ে ৪৪ বছর বয়সী এ কোচ বলেন, ‘গত পাঁচ-ছয় বছরে সবচেয়ে উন্নতি করা দল বাংলাদেশ। বোর্ডের সঙ্গে দেখা করে বুঝেছি তাদেরও বেশ কিছু পরিকল্পনা আছে। আর তরুণেরাও উঠে আসছে। তাই বিশ্ব ক্রিকেটে সত্যিকারের পাওয়ারহাউজ হওয়ার জন্য সবকিছুই রয়েছে বাংলাদেশের। আর এ কারণেই বাংলাদেশকে নিয়ে কাজ করতে আমি রোমাঞ্চিত হয়ে আছি। ’
বাংলাদেশ সময়: ১৪৫২ ঘণ্টা, আগস্ট ১৮, ২০১৯
এমকেএম