সোমবার (১১ মার্চ) ডাকসু নির্বাচনের ভোটগ্রহণ হবে। নির্বাচনী আচরণবিধি অনুযায়ী, ভোটগ্রহণের ২৪ ঘণ্টা আগে প্রার্থীদের প্রচারণা শেষ করতে হবে।
সেই হিসেবে শনিবার (৯ মার্চ) রাত ১২ টায় শেষ হচ্ছে দীর্ঘ ২৮ বছরের প্রতীক্ষার ডাকসু নির্বাচনের প্রচারণা। বহুল প্রতীক্ষিত এ নির্বাচনকে ঘিরে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিরাজ করছে উৎসাহ উদ্দীপনা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় প্রতিটি স্পটই সাদা-কালো ব্যানারে ছেয়ে গেছে। হলের প্রতিটি রুমে বিতরণ করা হচ্ছে লিফলেট। যেখানে নিজেদের ইশতেহার তুলে ধরছেন প্রার্থী ও তাদের সমর্থকেরা।
তবে এবার নির্বাচনে আচরণ বিধি ভঙ্গ করার অভিযোগ উঠেছে সবকটি ছাত্র সংগঠনের বিরুদ্ধে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র বলছে, নির্বাচনে প্রার্থীদের আচরণ বিধি লঙ্ঘণ শুরু হয় ছাত্রলীগের সভপতি ও ভিপি প্রার্থী রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভনের রঙ্গিন পোস্টার লাগানোর মধ্য দিয়ে।
এরপর ছাত্র ইউনিয়নের ব্যান্ড পার্টির মাধ্যমে প্রচারণা, বিধি ভঙ্গ করে ছাত্রলীগের মঞ্চ করে প্যানেল পরিচিতি, ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল, বিপক্ষ প্রার্থীদের নিয়ে কটুক্তি, ব্যানার ছিঁড়ে ফেলার অসংখ্য ঘটনাও ঘটেছে।
এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জোর করে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করানোরও অভিযোগ করেছেন কেউ কেউ।
নাম প্রকাশে একাধিক ভোটার অভিযোগ করেন, প্রত্যেকটি ছাত্র সংগঠনের প্রার্থীরাই আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন। কিন্তু এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে কোনো ধরনের ব্যবস্থা নিয়েছে বলে আমরা দেখিনি।
তবে এসব বিষয় যোগাযোগ করলেও নির্বাচনের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তা ড. এস এম মাহফুজুর রহমানের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ডাকসুর নির্বাচন কমিশন সূত্র জানায়, এরই মধ্যে সব ধরনের প্রচারণা সম্পন্ন হয়েছে। ভোট কেন্দ্রগুলোতে বসানো হচ্ছে সিসিটিভি ক্যামেরা।
সুষ্ঠুভাবে ডাকসু নির্বাচন সম্পন্ন করতে সবার সহযোগিতা চেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. আখতারুজ্জামান বলেন, তিন দশক তথা আড়াই যুগ পরে ডাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এ বিষয়ে প্রস্তুতি চূড়ান্ত পর্যায়ে। সবাই সহেযোগিতায় এগিয়ে এলেআমরা নির্বাচনের চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবেলা করতে পারবো।
বাংলাদেশ সময়: ২০৩৫ ঘণ্টা, মার্চ ০৯, ২০১৯
এসকেবি/এমএ