রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) এসে সোমবার (১০ ডিসেম্বর) সিইসির কাছে এ সংক্রান্ত আবেদন জমা দেন তিনি।
ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শাহ মোয়াজ্জেম তার আবেদনে বলেন, গত শনিবার (৮ ডিসেম্বর) আমার এলাকায় এক কর্মীর বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে আরেক অসুস্থ নেতাকে দেখতে যাবার জন্য পাথরঘাটার উদ্দেশে রওনা হই।
‘আমার সহকর্মীরা বাধা দিতে গেলে তাদের মারধর করা হয়। তারা বর্তমানে চিকিৎসাধীন। স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় আমরা সেদিন প্রাণে বেঁচে যাই। ’
তিনি বলেন, ‘এ অবস্থায় আমি ও আমার নির্বাচন এলাকার জনগণ এবং কর্মী সমর্থকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন। যা নির্বাচনী আচরণ বিধি অনুযায়ী, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের ক্ষেত্রেও বড় অন্তরায়। তাই আপনাকে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করছি। ’
এরশাদ সরকারের সময়ে উপ-প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করা শাহ মোয়াজ্জেম মুন্সিগঞ্জ-১ (সিরাজদিখান-শ্রীনগর) আসন থেকে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন- জাকের পার্টির আতাউর রহমান, বিকল্পধারা বাংলাদেশের মাহী বদরুদ্দোজা (নৌকা), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. আতিকুর রহমান, জাতীয় পার্টির শেখ মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম, বাংলাদেশের কমিউন্সিট পার্টির সমর দত্ত।
ফের নিরাপত্তা চাইলেন আমানপুত্র:
বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব আমানউল্লাহ আমানের ছেলে ঢাকা-২ আসনের প্রার্থী ব্যারিষ্টার ইরফান ইবনে আমান নির্বাচনী প্রচারণায় সমান সুযোগ ও নিজের নিরাপত্তা চেয়ে আবারও ইসিতে আবেদন করেছেন।
তিনি নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব হেলালুদ্দীন আহমদের কাছে এ সংক্রান্ত চিঠিতে লেখেন, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রাথী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম মন্ত্রী হয়ে প্রটোকল সুবিধা নিয়ে প্রচারণা চালাচ্ছেন। তিনি সরকারি সুবিধা নিয়ে নির্বাচনে নিরপেক্ষতা হারাচ্ছেন। এব্যাপারে পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য আমি ইসিকে বলেছি। আমি নিজের নিরাপত্তাও চাইছি ইসির কাছে।
সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে নির্বাচনী প্রচারণা। আগামী ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
বাংলাদেশ সময়: ১৫৩২ ঘণ্টা, ডিসেম্বর ১০, ২০১৮
ইইউডি/এমএ